চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা সিডিএ ২৫ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনার আওতায় নগরীর আয়তন ১৫৫ বর্গকিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ২৫৫ বর্গকিলোমিটার করার পরিকল্পনা করছে। ২০৫০ সালের সম্ভাব্য জনসংখ্যা বিবেচনায় তৈরি পরিকল্পনাটির ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। ২ আগস্ট শুরু হওয়া দুই মাসের গণশুনানি ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এবং ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশের কথা রয়েছে।
সিডিএ শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করছে; ইতোমধ্যে ৫০ প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। নগরবাসী কার্যালয়ে সরাসরি বা ওয়েবসাইটে মতামত দিতে পারছেন। পরিকল্পনায় মোট ভূমির ৩১ দশমিক ৯২ শতাংশ কৃষি এবং ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল এলাকা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। ৩৯ হাজার ৮৪৫টি পুকুর, দিঘি ও পাহাড় সংরক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং পাহাড়ি এলাকায় নতুন ভবন অনুমোদন ও নির্মাণ নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে।
গণশুনানিতে অনেকে জমির শ্রেণি, আবাসিক জমিতে সড়ক দেখানো এবং গ্রিন জোন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন। সিডিএ বলছে, মতামত যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংযোজন-বিয়োজন করা হবে। পরিকল্পনায় আনোয়ারায় স্যাটেলাইট সিটি, আট উপজেলা অন্তর্ভুক্তি, পরিকল্পিত নগর, পর্যটন উন্নয়ন ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা সংরক্ষণের উদ্যোগ রয়েছে।
গণশুনানির পর ২৫ বছর মেয়াদি পরিকল্পনায় চট্টগ্রাম নগর সম্প্রসারণের উদ্যোগ সিডিএর
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।