আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আবদুল মতিন বলেছেন, সরকার ‘সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ’ ও ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ’ বাতিল করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তিনি জানান, জুলাই বিপ্লবের পর অন্তবর্তী সরকার বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে এই দুটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ (রহিতকরণ) ও সুপ্রিমকোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ (রহিতকরণ) হতে লেগেছে ৫৫ বছর, স্বাধীনতা আর কতদূর?’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
মুক্ত আলোচনায় বিচার বিভাগ পৃথককরণ মামলার বাদী অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসদার হোসেন বলেন, এই অধ্যাদেশ দুটি বাতিলের ফল ভালো হবে না এবং সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে ভয় পায়। তিনি অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দেওয়ার কারণে ২৮ জন বিচারককে শোকজ করা হয়েছে, যা আইন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারের বাইরে। অন্যান্য বক্তারাও সরকারের এই পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বিচার বিভাগের স্বায়ত্তশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
বক্তারা সতর্ক করেন, বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকলে জনগণের প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
অধ্যাদেশ বাতিলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হুমকিতে, সাবেক বিচারকদের সতর্কবার্তা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।