কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রমনা ইউনিয়নের জোড়গাছ এলাকার খরখরিয়া ২ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ১০ মাস ধরে শহীদ মিনারের বেদি, টিনের ছাপরা ও কখনো খোলা আকাশের নিচে পাঠদান চলছে। ঝুঁকিপূর্ণ পুরোনো ভবনটি ২০২৫ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে ১২ নভেম্বর নিলামের মাধ্যমে ভেঙে ফেলা হলেও প্রস্তাবিত পাঁচ কক্ষের নতুন ভবনের বরাদ্দ এখনো আসেনি। বিদ্যালয়টিতে ১০ জন শিক্ষক ও ১৮১ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অস্থায়ী টিনশেডে গাদাগাদি করে বসতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের এবং প্রচণ্ড রোদে সেখানে অসহনীয় গরম তৈরি হয়। বৃষ্টি হলে পাঠদান ব্যাহত হয়। শিক্ষক ও অভিভাবকেরা বলেছেন, দীর্ঘদিনের এই পরিস্থিতিতে শিশুদের স্বাভাবিক পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গরম টিনশেডে দীর্ঘ সময় থাকার কারণে অসুস্থতা ও পানিশূন্যতার ঝুঁকির কথাও তারা উল্লেখ করেছেন।
বিদ্যালয়টি ১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং ১৯৭৩ সালে জাতীয়করণ করা হয়। কর্মকর্তারা জানান, পিডি-৪ প্রকল্পের আওতায় ভবন নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হলেও প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বরাদ্দ মেলেনি। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, দুটি অস্থায়ী ঘরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং আরও কক্ষ নির্মাণে তিন লাখ টাকা বরাদ্দের প্রক্রিয়া চলছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পিডি-৫ প্রকল্পে অগ্রাধিকার বরাদ্দের আশা প্রকাশ করেছেন।
নতুন ভবনের বরাদ্দ না আসায় খরখরিয়া বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার ও টিনশেডে পাঠদান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।