বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। মার্চ শেষে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা, যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ। ডিসেম্বর শেষে এই পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৭ কোটি টাকা। একাধিক নীতি-সহায়তা ও বিশেষ পুনঃতফসিলের সুযোগ দেওয়ার পরও খেলাপি ঋণ আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বিশেষ নীতির আওতায় মাত্র ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্টে ঋণ পুনঃতফসিল করা হলেও সুদ সংযোজন ও গ্রেস পিরিয়ডের কারণে খেলাপি ঋণ কমেনি। অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন বলেন, অর্থনৈতিক মন্দা, উৎপাদন হ্রাস ও অনেক ঋণগ্রহীতার পক্ষে ডাউন পেমেন্ট জোগাড়ে অক্ষমতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের হার সর্বোচ্চ ৪৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ, বেসরকারি ব্যাংকে ৩০ দশমিক ১১ শতাংশ। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রকৃত খেলাপি ঋণের চিত্র প্রকাশ পাওয়ায় খাতের দুর্বলতা আরও স্পষ্ট হয়েছে।
নীতিগত সহায়তা সত্ত্বেও খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।