চট্টগ্রাম থেকে বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর লাশ কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। রাত ১টা ২৫ মিনিটে পরিবারের সঙ্গে সর্বশেষ কথা বলার পর থেকেই তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরদিন সকালে তার লাশ পাওয়া যায় এবং সদর দক্ষিণ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
খবর পেয়ে স্ত্রী উর্মী হীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে রোববার সকালে লাশ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শেষকৃত্য সম্পন্নের আগে সহকর্মীরা ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। কাস্টমস অফিসে শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিহতের মা নিলীমা বৈরাগী অভিযোগ করেন, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং হত্যাকাণ্ড। তিনি খুনিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। কুমিল্লা ভ্যাট ও ট্যাক্স অফিস কমিশনার আবদুল মান্নান সরদার তদন্তে সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইসতিয়াক হাসান আমিন জানান, মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে একাধিক টিম কাজ করছে।
কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তার লাশ, পরিবারের অভিযোগে হত্যাকাণ্ড তদন্তে পুলিশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।