বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ রোববার জাতীয় সংসদে বলেন, গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাটকে লোডশেডিং বলা ঠিক নয়। তিনি ব্যাখ্যা করেন, প্রাথমিক জ্বালানির ঘাটতি, রক্ষণাবেক্ষণ, ঝড়-বৃষ্টি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে, যখন দৈনিক চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছে। সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বর্তমানে দেশে কোনো বিদ্যুতের ঘাটতি নেই।
মন্ত্রী জানান, দেশের গ্রিডভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট। ৭ হাজার ৯২৮ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৩২টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন এবং ৬৬৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ১৫টি নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক কেন্দ্রের দরপত্র প্রক্রিয়া চলছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে চালু হবে। তিনি বলেন, শতভাগ জনগণ এখন বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এবং সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
মন্ত্রী আরও জানান, ২০২৬ সালের প্রক্ষেপিত চাহিদা মোকাবিলায় সরকার প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম সমন্বিতভাবে পরিচালনা করছে যাতে লোডশেডিংয়ের প্রয়োজন না হয়।
বিদ্যুৎমন্ত্রী বললেন বিভ্রাট লোডশেডিং নয়, উৎপাদন ও নবায়নযোগ্য পরিকল্পনা জানালেন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।