যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কটাক্ষপূর্ণ বক্তব্য ও একতরফা নীতির কারণে বিশ্বজুড়ে তার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক প্রভাবশালী নেতা প্রকাশ্যে তাকে উপেক্ষা বা অস্বীকার করেছেন, যা তার আন্তর্জাতিক প্রভাবের সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট করেছে। ইরানের নেতারা শান্তি আলোচনা থেকে সরে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। হাঙ্গেরির ভোটাররা ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ভিক্টর ওরবানকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। পোপ লিওও ট্রাম্পের হুমকিমূলক বক্তব্যের জবাবে বলেছেন, তিনি ট্রাম্পকে ভয় পান না।
কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের সাবেক সভাপতি রিচার্ড হাস মন্তব্য করেছেন, ট্রাম্পের ভয়ভীতি প্রদর্শনের কৌশল কার্যকর নয় এবং তার উপদেষ্টারা কঠিন সত্য জানাতে অনাগ্রহী। ইসলামাবাদে ২১ ঘণ্টার বৈঠকের পর ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের একপেশে মনোভাব স্পষ্ট হয়েছে, যা অনেকের কাছে উত্তেজনা কমানোর সুযোগ হারানো হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে। এক পশ্চিমা কূটনীতিক বলেন, শুধু জেতার নীতি দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর নয়।
ডেনমার্কের অধীন গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের জোরাজুরি ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছে স্পষ্ট ‘রেড লাইন’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ন্যাটোর মাধ্যমে সামরিক প্রবেশাধিকার কিছুটা বাড়লেও মালিকানা হস্তান্তরে ইউরোপ অনড় অবস্থান নিয়েছে, যা ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক প্রভাব হ্রাসের ইঙ্গিত দেয়।
বিশ্বনেতাদের প্রতিরোধে ট্রাম্পের একতরফা নীতি চাপে পড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।