লেখক আজহারুল ইসলাম পিয়াস ১৮ জুলাই উত্তরার বিএনএস সেন্টার এলাকায় কোটা বৈষম্যের প্রতিবাদে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের সামনে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থাকাকালে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। তিনি বহু শিক্ষার্থীকে গুলিবিদ্ধ হতে দেখেছেন বলে লিখেছেন।
লেখকের বিবরণে বলা হয়, তা’মীরুল মিল্লাত কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি এম এম আল মিনহাজ চোখে গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে আন্দোলনকারীদের মধ্যে ফিরে আসেন। লেখক নিজে টিয়ার গ্যাসের ক্যানিস্টার হাতে নিয়ে ফের নিক্ষেপ করতে গিয়ে হাত পুড়িয়ে ফেলেন এবং বিকালে তাঁর পিঠে রাবার বুলেট লাগে। তাঁর সহপাঠী নাহিদের পিঠেও রাবার বুলেটের আঘাত ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, টঙ্গীর দিকে আন্দোলনকারী সন্দেহে ছাত্রলীগের ক্যাডারদের মারধরের খবর পেয়ে কৌশলে ক্যাম্পাসে ফেরেন। সেখানে সাবেক শিক্ষার্থী শাকিল পারভেজের মৃত্যুর খবর শোনেন এবং প্রশাসনের জরুরি হল ছাড়ার নির্দেশের পর মৌচাকে আত্মীয়ের বাসায় যান। উত্তরার সাধারণ মানুষ পানি, খাবার, স্যালাইন ও অন্যান্য সহায়তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন বলেও লেখক লিখেছেন।
উত্তরায় ১৮ জুলাইয়ের আন্দোলনে গুলি, আহত ও সাধারণ মানুষের সহায়তার প্রত্যক্ষ বর্ণনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।