মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি বা এমসিসিআই মনে করছে, ২০২৬ সালের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে বাংলাদেশের অর্থনীতির পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে সংগঠনটি বলেছে, এই পুনরুদ্ধার টেকসই করতে মূল্যস্ফীতি কমানো, বেসরকারি বিনিয়োগ ও ঋণপ্রবাহ বাড়ানো, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা দূর করা এবং বৈদেশিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা জরুরি।
‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি : এপ্রিল-জুন ২০২৬’ প্রতিবেদনে এমসিসিআই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ফেরানো এবং বেসরকারি খাতে ঋণ ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সাময়িক হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪.১৪ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরের ৩.৪৯ শতাংশের চেয়ে বেশি। জুনে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯.১৬ শতাংশে এবং খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮.৬০ শতাংশে নেমেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ অর্থনীতিতে স্বস্তি দিয়েছে, যদিও অভ্যন্তরীণ চাপ রয়ে গেছে। এপ্রিল-জুনে রেমিট্যান্স এসেছে ৯.৩৮ বিলিয়ন ডলার। জুন শেষে রিজার্ভ দাঁড়ায় ৩৭.৫৮ বিলিয়ন ডলার, যা মে শেষে ছিল ৩৪.৪৮ বিলিয়ন ডলার। জুনে রপ্তানি আয় ৪.১৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছালেও পুরো অর্থবছরে রপ্তানি বেড়েছে মাত্র ০.১৭ শতাংশ।
এমসিসিআই বলছে পুনরুদ্ধার শুরু হলেও মূল্যস্ফীতি, ঋণপ্রবাহ ও রপ্তানির চাপ রয়ে গেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।