পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের বাসিন্দা ৪০ বছর বয়সী সাহিদা ফকিরকে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ সন্দেহে আটক করে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, মুম্বাইয়ের সানপাড়ায় ১৯ জুলাই বাজারে গেলে পুলিশ তাকে আটক করে এবং পরে চেম্বুরের একটি আটককেন্দ্রে নেয়। কয়েক দিন পর পরিবারকে জানানো হয়, তাকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা এলাকায় একটি পরিবারের আশ্রয়ে রয়েছেন বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
সাহিদার পরিবার ও মানবাধিকার সংগঠন বলছে, তার জন্মনিবন্ধন, ভোটার পরিচয়পত্র, প্যান কার্ড এবং স্বরূপনগর ব্লকে নিজের নামে জমির দলিলসহ একাধিক সরকারি নথি রয়েছে। তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে স্বামী জুম্মান ফকির ও দুই ছেলেকে নিয়ে মুম্বাইয়ে বসবাস করছিলেন। সাহিদা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, আসাম সীমান্ত দিয়ে রাতে তাকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয় এবং কাদাময় জমি পেরিয়ে সড়কে পৌঁছানোর পর স্থানীয়রা তাকে খাবার, পোশাক ও আশ্রয় দেন।
মানবাধিকার সংগঠন MASUM কলকাতা হাইকোর্টে দেওয়া আবেদনে দাবি করেছে, আটকের পর প্রায় ৯০ ঘণ্টা সাহিদাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়নি এবং পরিবার বা আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হয়নি। সংগঠনটি তাকে আদালতে হাজির, বেআইনি আটক হলে মুক্তি, স্বাধীন তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার আবেদন করেছে।
নথি থাকা সত্ত্বেও ভারত থেকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ সাহিদা ফকিরের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।