১২৬০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের আইনে জালুত প্রান্তরে সুলতান সাইফুদ্দীন কুতুজের নেতৃত্বাধীন মামলুক বাহিনী কিতবুগার নেতৃত্বাধীন মঙ্গোল-তাতার বাহিনীকে পরাজিত করে। ১২৫৮ সালে বাগদাদ পতনের পর মঙ্গোলদের অগ্রযাত্রা মিসরের জন্যও হুমকি হয়ে উঠেছিল। নিবন্ধে এই জয়কে চেঙ্গিস খানের উত্থানের পর মঙ্গোলদের প্রথম বড় পরাজয় এবং তাদের পশ্চিমমুখী বিস্তারের মোড় ঘোরানো ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
মামলুক রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সংকটের মধ্যে কুতুজ ক্ষমতা গ্রহণ করে মঙ্গোল প্রতিরোধে আমির ও সেনাপতিদের ঐক্যবদ্ধ করেন। তিনি সিরিয়ায় পালিয়ে যাওয়া বাহরি মামলুকদের সাধারণ ক্ষমা দিয়ে ফিরিয়ে আনেন; তাঁদের মধ্যে রুকনুদ্দীন বাইবার্স ছিলেন। হালাকু খানের আত্মসমর্পণের দাবির জবাবে কুতুজ যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেন। যুদ্ধের অর্থ জোগাতে তিনি প্রথমে নিজের ও অভিজাতদের সম্পদ তহবিলে দেন, পরে মাথাপিছু এক দিনার কর এবং ধনীদের কাছ থেকে অগ্রিম জাকাত নেন।
যুদ্ধে কুতুজ মূল বাহিনী পাহাড় ও ঝোপঝাড়ের আড়ালে রাখেন এবং বাইবার্সের অগ্রগামী দলকে সামনে পাঠান। মঙ্গোলরা পিছু হটা দলকে তাড়া করে ফাঁদে পড়ে; এরপর মামলুকরা চারদিক থেকে আক্রমণ চালায়। কিতবুগা নিহত হলে মঙ্গোল বাহিনী পালিয়ে যায়। বিজয়ের দুই দিন পর কুতুজ দামেস্কে প্রবেশ করে শান্তি, শৃঙ্খলা ও প্রশাসন পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেন।
আইনে জালুতের মামলুক বিজয় মঙ্গোল অগ্রযাত্রা থামিয়ে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য বদলায়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।