স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষের আবাসনের লক্ষ্য নিয়ে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের নেওয়া দুটি প্রকল্প প্রায় এক দশকেও লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি। ১৬ দশমিক ২৮ একর জমিতে ৪২ কোটি ৩৭ লাখ ২১ হাজার টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের কিছমত জাফরাবাদ প্রকল্পে ১৬৩টি আবাসিক ও চারটি বাণিজ্যিক প্লট বরাদ্দ দিয়ে টাকা নেওয়া হলেও উন্নয়নকাজ শেষ হয়নি। ফলে কোনো গ্রাহক প্লট বুঝে পাননি।
তদন্তে মাটি ভরাটে অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে। ৮৭ হাজার ৯৩ ঘনমিটার মাটি ভরাট দেখিয়ে বিল তোলা হলেও দুদকের নিরপেক্ষ প্রকৌশলীদের মাপে পাওয়া যায় ৪৩ হাজার ১২৯ ঘনমিটার। ৪৮ লাখ ৭৭ হাজার ৮৯৪ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি দুদক মামলা করে। মামলাটি জেলা স্পেশাল জজ আদালতে বিচারাধীন; দুই প্রকৌশলী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
প্রকল্পটি পুনরায় চালু করতে ১৮ কোটি টাকার নতুন দরপত্র আহ্বান করা হলেও শর্ত অপূরণীয় হওয়ায় পুনর্দরপত্রের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সোনাপাহাড় প্রকল্পে ২০১৭ সালে ১৮৩ জনকে দলিল দেওয়া হলেও বসতি হয়নি। প্লট মালিকেরা নিরাপত্তাহীনতা ও বৈদ্যুতিক তার চুরির কথা বলেছেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য অনিয়ম তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
অনিয়ম ও নিরাপত্তাহীনতায় মিরসরাইয়ের আবাসন প্রকল্পে প্লট মালিকদের অপেক্ষা দীর্ঘ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।