সরকার গঠনের পর বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখল, হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ অব্যাহত থাকায় বহিষ্কার, কমিটি বিলুপ্তি ও আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে দলটি। গত রোববার সংসদ ভবনে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ডে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, চাঁদাবাজ ও দখলদারদের বিএনপিতে কোনো জায়গা নেই।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও অপরাধে জড়িতদের প্রশ্রয় না দিয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো তৃণমূলের ওপর দলের হাইকমান্ডের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ না থাকার ইঙ্গিত দেয়। তার মতে, শুধু কয়েকজনকে বহিষ্কার করলে অনিয়ম বন্ধ হবে না; অর্থের অপব্যবহার ও অসৎ রাজনৈতিক চর্চা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
৪ অক্টোবর সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নেতার ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। মাছের প্রকল্পে বিষ প্রয়োগ, চাঁদাবাজি, ভাঙচুর ও অপহরণের অভিযোগেও বিভিন্ন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার ও বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেছে। বিএনপি সূত্র বলেছে, শুদ্ধি অভিযান চলছে; যুগ্ম মহাসচিব এমরান সালেহ প্রিন্স জানান, দলীয় আদর্শবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ অব্যাহত থাকায় শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর হচ্ছে বিএনপি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।