উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, কারণ কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের সম্ভাব্য বা চলমান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে দ্রুত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতিতে পড়ছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অতিরিক্ত ব্যবহারে মজুদ কমে আসছে, আর এসব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যয়বহুল ও পুনরায় সরবরাহে সময়সাপেক্ষ হওয়ায় দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে সরবরাহ সংকট দেখা দিতে পারে।
কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রনির্মিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতার অংশ হিসেবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে। ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ার পর তাদের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের সমন্বিত হামলার কৌশল প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চাপে ফেলছে।
কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে যে উপসাগরীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়াতে পারে যাতে ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয় বা দ্রুত কূটনৈতিক সমাধান খোঁজা হয়।
ইরান উত্তেজনায় উপসাগরীয় দেশগুলোর ইন্টারসেপ্টর সংকট ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।