ইরান যুদ্ধের কারণে ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানিয়েছেন মার্কিন ও ন্যাটোর কর্মকর্তারা। বিশেষত প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতিকে সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা বলা হয়েছে। ইউরোপে নিয়োজিত এক মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেন, দীর্ঘস্থায়ী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকানোর মতো পর্যাপ্ত প্যাট্রিয়ট নেই এবং একটি হামলা মোকাবিলার সক্ষমতাও সীমিত।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ব্যাপক ইন্টারসেপ্টর ব্যবহারের ফলে ইউরোপের কিছু মজুত সেখানে সরানো হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানান। ইউক্রেনকে আগে দেওয়া প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রও মার্কিন মজুত কমিয়েছে। এতে সম্ভাব্য রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে ন্যাটো দেশগুলোর দুর্বলতা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে, যদিও এমন হামলা অদূর ভবিষ্যতে আসন্ন নয়।
ন্যাটো ও পেন্টাগন অবশ্য ঘাটতির মাত্রা নিয়ে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে। ন্যাটোর মুখপাত্র কর্নেল মার্টিন ও’ডোনেল বলেন, ইউরোপের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সংকটজনক পর্যায়ে যায়নি এবং ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ও ইউক্রেন সহায়তা—দুই ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত অস্ত্র আছে। পেন্টাগন মজুত সংকটের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিকল্প সীমিত; ফ্রান্স ও ইতালির এসএএমপি/টি এনজি কিছু সহায়তা দিতে পারে, তবে এর পাল্লা কম এবং নতুন সংস্করণটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরীক্ষিত নয়।
ইউরোপে প্যাট্রিয়ট মজুত কমার দাবি, তবে সংকটের মাত্রা নিয়ে ন্যাটো ও পেন্টাগনের ভিন্নমত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।