যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তবে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এর বিস্তারিত বা আওতাভুক্ত বিষয়গুলো জানায়নি। ২৪ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য বা অন্য ধরনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক রাখা দেশ ও পক্ষগুলোর ওপর চাপ বাড়িয়ে তেহরানকে চাপে ফেলতে চায় ওয়াশিংটন।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী সতর্ক করেছেন, ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা দেশগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার মুখে পড়তে পারে। গত সপ্তাহে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা মিত্র ও অন্য পক্ষগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অথবা বিপক্ষে অবস্থান বেছে নিতে হবে। অন্য মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ কঠোরভাবে কার্যকর করতে সেন্ট্রাল কমান্ড কাজ করছে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেছেন, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা পতনের দিকে এগোচ্ছে। এতে ইঙ্গিত মিলছে যে সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপের লক্ষ্য শুধু ইরানের নীতি বা অবস্থান পরিবর্তন নয়, শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হতে পারে। তবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর সময় মার্কিন প্রশাসন বলেছিল, রেজিম চেঞ্জ প্রধান লক্ষ্য ছিল না। নিষেধাজ্ঞার বিস্তারিত প্রকাশ না হওয়ায় এর পরিধি ও বাস্তব প্রয়োগ এখনো অস্পষ্ট।
ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক রাখা দেশগুলোর ওপর চাপ বাড়ানোর ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।