রয়টার্সের অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার ডিজেল হিসেবে নথিভুক্ত একটি চালানের মাধ্যমে ইরানি জেট জ্বালানি মিয়ানমারে পৌঁছায়। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত ট্যাংকার রিফ, যার নতুন নাম ম্যারিস, প্রায় এক লাখ ১৩ হাজার ব্যারেল জ্বালানি নিয়ে মিয়ানমারের জলসীমায় আসে। মিয়ানমারভিত্তিক ডায়নামিক ওয়েভ থাইল্যান্ডের তাওয়ান-অয়েল ট্রেডিংয়ের সঙ্গে ১ কোটি ৫৮ লাখ ডলারের ডিজেল সরবরাহচুক্তি করেছিল। তবে জাতিসংঘ ও ভরটেক্সার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে মিয়ানমারে এমন কোনো জ্বালানি বাণিজ্য হয়নি।
চুক্তিপত্র, জ্বালানি সরবরাহের নথি, স্যাটেলাইট চিত্র এবং সিনম্যাক্স ইন্টেলিজেন্সের জাহাজ চলাচল বিশ্লেষণের ভিত্তিতে রয়টার্স এসব তথ্য জানিয়েছে। ৩০ নভেম্বরের একটি চিঠিতে মিয়ানমারের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আমদানি নথিতে জেট জ্বালানির বদলে ডিজেল লেখার কথা জানায় এবং তাওয়ানকে তাইওয়ানে অর্থ পরিশোধের অনুমতি দেয়। জাস্টিস ফর মিয়ানমার রয়টার্সকে চিঠিটির অনুলিপি দেয়।
রয়টার্স আরও জানায়, ২০২৫ সালের মে মাসেও একই ধরনের একটি চুক্তি হয়েছিল। নথি অনুযায়ী, নোবল ট্যাংকার ১৭ জুন প্রায় দুই লাখ ব্যারেল জেট জ্বালানি নিয়ে ইয়াঙ্গুনে পৌঁছায়। সিনম্যাক্সের বিশ্লেষণে জাহাজটি ইরানের বন্দর আব্বাস থেকে জ্বালানি নেওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায় এবং যাত্রাপথে সেটি গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দর দেখিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়, তাওয়ান, সিয়াম কমার্শিয়াল ব্যাংক ও জাহাজ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান রয়টার্সের প্রশ্নের জবাব দেয়নি।
ডিজেলের নামে ইরানি জেট জ্বালানি মিয়ানমারে পৌঁছানোর তথ্য দিয়েছে রয়টার্স
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।