রংপুর অঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কার্যালয়ে মাহমুদুর রহমানকে কলেজ শাখার সহকারী পরিচালক হিসেবে পদায়নের উদ্যোগ চলছে বলে প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এ পদায়ন ঘিরে বড় অঙ্কের ঘুস লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মাহমুদুর রহমান বর্তমানে কারমাইকেল কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।
পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির দুই নেতা এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষক মাহমুদুর রহমানের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা, পারিবারিক সম্পর্ক ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা অভিযোগ করেন। কারমাইকেল কলেজের শিক্ষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৭তম বিসিএসের মাধ্যমে শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দেওয়ার পর তিনি বিভিন্ন সুবিধা পেয়েছেন। প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, তিনি আগে রংপুর মাউশিতে সহকারী পরিচালক এবং পরে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে উপ-বিদ্যালয় পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
প্রতিবেদনে উদ্ধৃত কর্মকর্তা ও আন্দোলনকর্মীরা পদায়নের আগে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন। রংপুর মাউশির কলেজ শাখার উপ-পরিচালক কামরুজ্জামান পাইকার বলেন, বিতর্কিত কাউকে নিয়োগ দিলে অফিসের লোকজন তা ভালোভাবে নেবে না। পরিচালক অধ্যাপক গোলাম মাজেদও এমন নিয়োগে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা করেন। মাহমুদুর রহমান ফোন ও বার্তার জবাব দেননি; মহাপরিচালকও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
রংপুর মাউশির প্রস্তাবিত পদায়ন ঘিরে অভিযোগ ও আপত্তি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।