২০২৬ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল (ওটেক্সা) প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, এ সময়ে ইউনিটপ্রতি গড় দাম ২ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং রপ্তানির পরিমাণ ৬ দশমিক ২১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, ফলে মোট আয় সংকুচিত হয়েছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও সুদের হারের কারণে পোশাক আমদানির সামগ্রিক প্রবণতা ১৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া যথাক্রমে ২ দশমিক ৮৬ ও ১৮ দশমিক ৪৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা বাংলাদেশের জন্য প্রতিযোগিতা বাড়িয়েছে। খাতসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব দেশ দ্রুত উৎপাদন সক্ষমতা ও পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়িয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে, চীনের রপ্তানি ৫৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ কমে যাওয়ায় বাংলাদেশের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিজিএমইএ ও রপ্তানিকারকেরা বলছেন, টিকে থাকতে হলে উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও নীতিগত সহায়তা জোরদার করা জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ৯% কমেছে, বৈশ্বিক চাহিদা দুর্বল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।