একজন কলামিস্ট ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর নতুন বাংলাদেশ গঠনে শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক পুনর্গঠনের দাবি জানিয়েছেন। লেখায় রাজনৈতিক সংস্কারের পর শিক্ষা সংস্কারকে রাষ্ট্রকে টেকসই করার দ্বিতীয় ও প্রধান লড়াই হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তরুণ প্রজন্ম মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র পরিচালনা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানে দলীয় পরিচয়নির্ভর স্বজনপ্রীতির অবসান চায় বলে এতে বলা হয়েছে।
লেখাটিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বহু বছর জিডিপির ১ দশমিক ২ থেকে ১ দশমিক ৪ শতাংশে ছিল এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা ২ শতাংশে উন্নীত হলেও দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম ও শিল্পখাতের চাহিদার ব্যবধানকে উচ্চশিক্ষিত বেকারত্বের কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এআই ও ডেটা অ্যানালিটিকসের যুগেও পুরোনো সিলেবাস, গবেষণার ঘাটতি, শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব এবং দলীয় ছাত্ররাজনীতির সমালোচনা করা হয়েছে।
প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রতি তিন বছর পর শিল্পখাতের মতামতে সিলেবাস হালনাগাদ, মাধ্যমিক থেকে কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষা এবং স্বাধীন শিক্ষা বা শিক্ষক নিয়োগ কমিশন গঠন। গবেষণা তহবিল, স্টার্টআপ ইনকিউবেশন, জামানতহীন ঋণের কাঠামো, প্রত্যন্ত স্কুলে প্রশিক্ষিত শিক্ষক নিয়োগ এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচনের কথাও বলা হয়েছে।
বাংলাদেশে মেধাভিত্তিক শিক্ষা সংস্কার, গবেষণা তহবিল ও আধুনিক পাঠ্যক্রমের দাবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।