বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন (ইসি) একই দিনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জাতীয় সনদ গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা দেশের ইতিহাসে প্রথম। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর দায়িত্ব নেওয়া নাসির উদ্দিন কমিশনের কোনো নির্বাচনি অভিজ্ঞতা নেই। তবুও কমিশনকে একযোগে দুটি বড় ভোট আয়োজনের দায়িত্ব নিতে হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী কোনো ভোটার যদি দেখেন তার ভোট অন্য কেউ দিয়েছে, তবে তিনি ‘টেন্ডার্ড ভোট’ দিতে পারেন, যা আলাদা খামে রাখা হয় এবং গণনায় আসে না। আবার কোনো ভোটারকে পোলিং এজেন্ট আপত্তি জানালে তিনি ১০০ টাকা জমা দিয়ে ‘আপত্তিকৃত ভোট’ দিতে পারেন, যা গণনায় অন্তর্ভুক্ত হয়। প্রতিবেদনে নির্বাচনি ও পোলিং এজেন্ট নিয়োগের বিধানও ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যেখানে পোলিং এজেন্টদের জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা বাধ্যতামূলক বলা হয়েছে।
ইসির হাতে কেবল একটি সীমিত ‘মক ভোটিং’ অভিজ্ঞতা থাকায় বড় পরিসরের এই নির্বাচনি আয়োজনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজন করছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।