সীমিত জনবল দিয়ে ২০২৫ করবর্ষে শত শত কোম্পানির নিরীক্ষা সম্পন্ন করায় কয়েকটি অডিট ফার্মের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল ৩৫০টির বেশি কোম্পানির নিরীক্ষা করা ১১টি ফার্মকে চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে কে এস আর অ্যান্ড কোং, জাভেদ মৃধা অ্যান্ড কোং এবং এম আহমেদ অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস পাঁচ শতাধিক কোম্পানির অডিট করেছে; তাদের গড় জনবল ১৫ জনের কম। এসব তালিকায় পাবলিক ইন্টারেস্ট এনটিটিও ছিল।
এফআরসি চলতি করবর্ষে সংশ্লিষ্ট ফার্মগুলোকে পিআইই অডিট থেকে বিরত রেখেছে এবং প্রতিটি ফার্মের নিরীক্ষা করা পিআইইগুলোর দুটি করে প্রতিবেদন যাচাই করছে। নির্বাহী পরিচালক তারেক কামাল বলেন, ত্রুটি পাওয়া গেলে জরিমানা ও পিআইই নিরীক্ষায় নিষেধাজ্ঞার বিধান আছে; গুরুতর অনিয়মে ফৌজদারি মামলাও হতে পারে। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা, নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, ঝুঁকি ও আর্থিক নীতি বুঝতে যথেষ্ট সময় ও দক্ষ জনবল প্রয়োজন।
অভিযোগ অস্বীকার করে ফার্মগুলোর অংশীদারেরা বলেন, তাদের অধিকাংশ গ্রাহক ছোট, ব্যক্তি মালিকানাধীন ও সীমিত কার্যক্রমের প্রতিষ্ঠান। আইসিএবির পরিচালক মোস্তফা কামাল বলেন, একটি ফার্ম কতটি কোম্পানির নিরীক্ষা করবে তার নির্দিষ্ট সীমা নেই, তবে মান বজায় রাখা জরুরি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আল আমিন জনবল ও সক্ষমতার ভিত্তিতে নিরীক্ষার সংখ্যা নির্ধারণে নীতিমালার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিপুলসংখ্যক নিরীক্ষা করা ফার্মগুলোর পিআইই অডিটে নিষেধাজ্ঞা ও প্রতিবেদন যাচাই করছে এফআরসি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।