বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের দীর্ঘদিনের উপস্থিতিজনিত সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৩ লাখ রোহিঙ্গার উপস্থিতি বাংলাদেশের অর্থনীতি, সমাজ, জনমিতি ও পরিবেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।
সাক্ষাতে লিউ হাইশিং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেন। জবাবে তারেক রহমান শি জিনপিং ও চীনের প্রিমিয়ার লি ছিয়াংকে শুভেচ্ছা জানান। লিউ বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এগিয়ে নেওয়া দায়িত্ব।
বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডর এবং রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনোমিক পার্টনারশিপে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়। লিউ এ বিষয়ে চীনের সমর্থনের কথা জানান। রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ে তিনি বলেন, চীন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এবং প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগ প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে জানাবেন। উভয় পক্ষ সিপিসি ও বিএনপির মধ্যে দলীয় পর্যায়ের যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেয়।
১৩ লাখ রোহিঙ্গার চাপ মোকাবিলায় চীনের সহযোগিতা চাইলেন তারেক রহমান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।