ইসলামী ব্যাংকের ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলায় সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু, তাঁর কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্স এবং এস আলমের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠে এসেছে। বাংলাদেশ ফাইন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) হাইকোর্টে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছে বলে আমার দেশ জানিয়েছে। প্রতিবেদনটি ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর দাখিল করা হলেও দীর্ঘদিন এ বিষয়ে শুনানি হয়নি।
ইসলামী ব্যাংকের রিটের পর ২০২৫ সালের ১১ মার্চ হাইকোর্ট তিনটি নির্দেশনা ও রুল জারি করেন। নির্দেশনায় ৫ আগস্টের পর বোর্ড ভেঙে দেওয়ার আগের পরিচালকরা আদালতের অনুমতি ছাড়া বিদেশ যেতে পারবেন না, তাঁদের ব্যাংক হিসাব জব্দ এবং জেএমসি বিল্ডার্সের শেয়ার হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বিএফআইইউকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
ইসলামিক ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর আইনজীবী শিশির মনির বলেন, জেএমসি বিল্ডার্সের ২৪টি কোম্পানির নামে ইসলামী ব্যাংকের ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার হস্তান্তর করা হয়। তাঁর দাবি, চুপ্পু ২০১৭ সাল থেকে ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতিনিধি পরিচালক হিসেবে এসব অনুমোদনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রুল প্রতিবেদনের ওপর আগামী বুধবার বিচারপতি মুজিবুর রহমান মিয়া ও রেজাউল করিমের বেঞ্চে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
ইসলামী ব্যাংক জালিয়াতি মামলায় চুপ্পু ও জেএমসি বিল্ডার্সের সম্পৃক্ততার অভিযোগে বিএফআইইউ প্রতিবেদন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।