ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার তিন মাস পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়েছেন—তিনি কি এই যুদ্ধে পিছিয়ে যাচ্ছেন? রয়টার্সের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপ সত্ত্বেও ইরানের পারস্য উপসাগরীয় প্রভাব, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি থামানো যায়নি। যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার ও নৌবাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তেহরান দ্রুত পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং আঞ্চলিক হামলা চালায়।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের ঘোষিত লক্ষ্য—ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করা, আঞ্চলিক হুমকি কমানো ও শাসকগোষ্ঠীকে দুর্বল করা—এখনও অর্জিত হয়নি। সাবেক মার্কিন কূটনীতিক অ্যারন ডেভিড মিলার বলেছেন, স্বল্পমেয়াদি সাফল্য হিসেবে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ এখন দীর্ঘমেয়াদি ব্যর্থতায় পরিণত হচ্ছে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও জনঅসন্তোষ ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য নতুন রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেছে।
রিপোর্টে আরও বলা হয়, ইউরোপীয় দেশগুলো যুদ্ধে সহায়তা করতে অস্বীকৃতি জানানোয় ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন বেড়েছে, আর চীন ও রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সীমাবদ্ধতা ও ইরানের অসম যুদ্ধকৌশল থেকে শিক্ষা নিচ্ছে।
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাফল্য নিয়ে ট্রাম্পের সামনে বাড়ছে প্রশ্ন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।