দোহাজারী–কক্সবাজার–ঘুমধুম রেললাইন প্রকল্পের তদারকি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান স্মেক বাংলাদেশকে চূড়ান্ত নোটিস দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। প্রকল্প সমাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় নথি যেমন পারফরম্যান্স সার্টিফিকেট, চূড়ান্ত বিল, প্রকল্প সমাপনী প্রতিবেদন, ‘অ্যাজ-বিল্ট’ নকশা ও হস্তান্তর কাগজপত্র না জমা দেওয়ায় এই নোটিস পাঠানো হয়। ২০২৬ সালের ১৩ মে পাঠানো ওই নোটিসে সময়মতো নথি না দিলে অর্থ প্রদান স্থগিত ও চুক্তি বাতিলের সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
রেলওয়ে জানিয়েছে, স্মেকের ব্যর্থতার কারণে প্রকল্প বন্ধের প্রক্রিয়া, নিরীক্ষা ও চূড়ান্ত অর্থছাড় আটকে আছে। প্রতিষ্ঠানটি অন্যান্য প্রকল্পেও ব্যয় বৃদ্ধির অভিযোগে বিতর্কিত। রেলের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে স্মেকের কাজের ধরন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত রেল কর্মকর্তাদের এই প্রতিষ্ঠানে যোগ দেওয়া নিয়ে স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ উঠেছে।
গত এক দশকে স্মেক রেল ও সেতু-সংশ্লিষ্ট ২২টি প্রকল্পে প্রায় ৩৫ কোটি ডলারের চুক্তি পেয়েছে। অলাভজনক রেলপথ প্রকল্পগুলোকে লাভজনক দেখানোর অভিযোগও রয়েছে, যা রেল পরামর্শক নিয়োগে জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে।
কক্সবাজার রেল প্রকল্পে বিলম্বে স্মেককে চূড়ান্ত নোটিস দিল বাংলাদেশ রেলওয়ে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।