যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা শনিবারের বিক্ষোভকে ঘিরে দিল্লি পুলিশ হোটেল, গেস্ট হাউস ও ছাত্রাবাসে তল্লাশি চালাচ্ছে। ৮ থেকে ১১ অক্টোবরের মধ্যে দিল্লির বাইরে থেকে আসা ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে একসঙ্গে থাকা তরুণ-তরুণীদের বড় দলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিক্ষোভ ঘিরে ৪১ হাজারের বেশি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে এবং যন্তর মন্তরের আশপাশে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয়েছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রত্যাহার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগসংক্রান্ত আইন পরিবর্তনের দাবিতে সিজেপি ‘যন্তর মন্তর ২.০’ কর্মসূচি ডেকেছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তরুণেরা এতে যোগ দিতে পারেন। নয়াদিল্লিকে ২০টি জোনে ভাগ করা হয়েছে এবং সম্ভাব্য মিছিলের ৩৭টি স্থানে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে।
বিস্তীর্ণ এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর ৫৭টির বদলে ৪৫টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। সিজেপির আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপক সম্ভাব্য গ্রেপ্তারের আশঙ্কা জানালেও সমর্থকদের শান্তিপূর্ণ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
সিজেপির যন্তর মন্তর বিক্ষোভের আগে দিল্লিজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ও তল্লাশি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।