বাংলাদেশে গ্যাসের তীব্র ঘাটতিতে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতার তুলনায় অর্ধেকেরও কমে নেমেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ৪ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে দৈনিক চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুটের কিছু বেশি হলেও দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি মিলিয়ে সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে ২৬৫ কোটি ঘনফুটের বেশি নয়। ফলে দৈনিক ১১৫ কোটি ঘনফুট ঘাটতি থাকছে।
পেট্রোবাংলা ও তিতাসের সূত্র অনুযায়ী, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটিতে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ হচ্ছে। ২১ জুলাই যান্ত্রিক ত্রুটির পর দুটি ভাসমান টার্মিনাল থেকে সরবরাহ প্রায় অর্ধেক কমেছে। বিজিএমইএ নেতারা বলেন, পোশাক কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ কমেছে। শিল্পমালিকেরা জানান, অনেক কারখানা দিনের অর্ধেকের বেশি সময় বন্ধ রাখতে হচ্ছে এবং কর্মী ছাঁটাইয়ের চাপ তৈরি হয়েছে।
সরকার মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি এবং মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে। প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর পদক্ষেপের ফল পেতে আরও তিন থেকে চার বছর লাগতে পারে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের হিসাবে, গ্যাস থেকে আট থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতার বিপরীতে আগের দিন উৎপাদন ছিল সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট।
গ্যাস ঘাটতিতে শিল্প উৎপাদন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও দৈনন্দিন জীবন চাপে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।