সুদানের বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক কয়েক দিনের ড্রোন হামলায় ১৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে চিকিৎসাকর্মী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছে। নিহতদের মধ্যে শিশু ও বাস্তুচ্যুত মানুষও রয়েছেন। সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের মধ্যে চলমান যুদ্ধে ড্রোনের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে বেসামরিক প্রাণহানিও বাড়ছে। ইমার্জেন্সি লইয়ার্স জানায়, সোমবার রাজধানী খার্তুমে এক হামলায় তিন শিশু নিহত হয়েছে।
সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাটি হয় রোববার সন্ধ্যায় পশ্চিম কোরদোফান রাজ্যের আরএসএফ-নিয়ন্ত্রিত আল-দিবাব শহরে একটি বাজারের কাছে। বাজার শেষে পরিবহনকেন্দ্রে জড়ো হওয়া লোকজনের ওপর হামলায় ৮০ জন নিহত হন বলে স্থানীয় বাসিন্দা ও চিকিৎসাকর্মীরা জানান। এএফপিকে একটি চিকিৎসা সূত্র জানায়, ৪৭ আহতকে আল-মুজলাদে নেওয়া হলে পরে ৩০ জন মারা যান। তাসিস ও ইমার্জেন্সি লইয়ার্স হামলার জন্য সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছে।
নিয়ালায় হামলায় ১৭ জন নিহত হন, যাঁদের মধ্যে আরএসএফের সাত কর্মকর্তা ছিলেন; আহত হন আরও ২৩ জন। ব্লু নাইল প্রদেশে বাস্তুচ্যুত মানুষের সমাবেশে আরএসএফের ড্রোন হামলায় ৪১ জন নিহত হন। জাতিসংঘ হামলাগুলোর নিন্দা জানিয়েছে। ২০২৩ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া যুদ্ধে অন্তত ৫৯ হাজার মানুষ নিহত এবং প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুদানে ড্রোন হামলায় ১৬০ জনের বেশি নিহত, নিহতদের মধ্যে শিশু ও বাস্তুচ্যুত মানুষ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।