মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের বুধবারের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ইতিহাসে প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রের মোট সরকারি ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ২০ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস ২০২৩ সালের মে মাসে ২০২৮ সালে এই সীমা অতিক্রমের পূর্বাভাস দিলেও তা প্রায় দুই বছর আগেই ঘটল। চলতি বছরের মার্চে ঋণ ৩৯ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়ানোর পর পাঁচ মাসেরও কম সময়ে আরও ১ ট্রিলিয়ন ডলার যোগ হয়েছে।
২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমবার প্রেসিডেন্ট হওয়ার সময় মোট ঋণ ছিল প্রায় ১৯ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন ডলার। তাঁর প্রথম মেয়াদে ঋণ বেড়েছে প্রায় ৭ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার, যার বড় অংশ মহামারি মোকাবিলার ব্যয়। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ফেরার পর আরও প্রায় ৩ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ২০২১ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত জো বাইডেন প্রশাসনের সময় ঋণ বেড়েছিল প্রায় ৮ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার।
মোট ঋণের প্রায় ৮০ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৩২ ট্রিলিয়ন ডলার জনসাধারণের কাছে থাকা ঋণ। ২০২৫ সালে বড় বিদেশি ঋণদাতাদের মধ্যে ছিল জাপান, যুক্তরাজ্য ও চীন। বিশ্লেষকদের মতে, সংকটকালীন ব্যয়, রাজস্বের তুলনায় বেশি ব্যয় এবং পেনশন ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় বৃদ্ধিই ঋণ বাড়ার প্রধান কারণ; এর ফলে মূল্যস্ফীতি, সুদের হার, বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধিতে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
সিবিওর পূর্বাভাসের প্রায় দুই বছর আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।