জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ছাত্রলীগের দায়ের করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটি মামলা তিনি এখনো বহন করছেন। ২০১৯ সালের ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচনের পরদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ধর্মঘট চলাকালে সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাহবাগ থানায় হওয়া মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। ২৯ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে তিনি এসব তথ্য জানান।
তৌহিদুলের ভাষ্য অনুযায়ী, ১২ মার্চ টিএসসি এলাকায় ছাত্রলীগের হামলায় তিনি রক্তাক্ত হন, কিন্তু পরে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকেই তাকে আসামি করা হয়। মামলায় মাহফুজ চৌধুরী, আহমেদ আরিফ ও তানভীর আজাদীকেও আসামি করা হয়। বিরোধী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলায় গাড়ি ভাঙচুর ও বিস্ফোরক আইনের অভিযোগ আনা হয়েছিল বলে তিনি জানান।
ওই দুই মামলার কার্যক্রম শেষ হলেও ডাকসু-সংশ্লিষ্ট মামলায় তাকে নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিতে হচ্ছে। বুধবার ঢাকা মহানগর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের ৪ নম্বর আদালতে হাজিরার দিন আইনজীবী সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্তির আবেদন দাখিল করেন। তৌহিদুল রাজনৈতিক ও হয়রানিমূলক মামলা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন এবং বলেছেন, বর্তমান সরকারের কিছু মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও অনেক মামলা এখনো বিচারাধীন।
ডাকসু-পরবর্তী মামলায় এখনো আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন ছাত্রদল নেতা তৌহিদুল ইসলাম
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।