বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেটে শিক্ষাখাতে এক লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকার রেকর্ড বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে, যা জিডিপির দুই শতাংশ। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে কারিগরি শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষাকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা তুলে ধরেন। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ জিডিপির পাঁচ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।
শিক্ষাবিদরা এই বরাদ্দকে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, তবে ইউনেসকোর ৪ থেকে ৬ শতাংশ নির্দেশনার তুলনায় এটি এখনো কম বলে মন্তব্য করেছেন। অনেক শিক্ষক ও সংগঠন অভিযোগ করেছেন, বাজেটে শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়ন, বেতন-বোনাস বৃদ্ধি বা এমপিওভুক্ত ও ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষকদের দাবির বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। তাদের মতে, শিক্ষকদের কল্যাণ নিশ্চিত না হলে ‘আনন্দময় শিক্ষা’ বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।
বিশ্লেষকরা বরাদ্দের স্বচ্ছ ব্যবহার ও দক্ষতা উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন, যাতে শিক্ষা ও শ্রমবাজারের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি হয়।
শিক্ষা বাজেট বেড়েছে, কিন্তু শিক্ষকদের কল্যাণে নির্দেশনা অনুপস্থিত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।