চট্টগ্রামে বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের বাহিনী সুবিধাবঞ্চিত কিশোর-তরুণদের অল্প টাকার প্রলোভনে সদস্য করত বলে দাবি করেছে পুলিশ। ২ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে পুলিশ জানায়, ৫০০ বা ১ হাজার টাকার বিনিময়ে প্রথমে ছোটখাটো অপরাধে জড়ানো হতো তাদের। পরে ধাপে ধাপে অস্ত্র ব্যবহার, চাঁদাবাজি, হামলা ও হত্যাচেষ্টার মতো গুরুতর অপরাধে ব্যবহার করা হতো বলে অভিযোগ।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ফুটপাতে থাকা, টোকাই, দিনমজুর, স্কুলছুট, বেকার ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা তরুণদের লক্ষ্য করা হতো। নতুনদের অস্ত্রধারীদের সঙ্গে যাওয়া, নজরদারি এবং চাঁদা আদায়ে ভয় দেখানোর কাজ দেওয়া হতো। চাঁদা না দিলে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, ককটেল বিস্ফোরণ, মোটরসাইকেলে আতঙ্ক সৃষ্টি ও ভাঙচুরের কাজও করানো হতো বলে পুলিশ জানায়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মৌমিতা পাল বলেন, অসহায় ও দরিদ্র কিশোরদের আর্থিক দুর্বলতাকে অপরাধচক্র কাজে লাগায়।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন নতুন সদস্য সংগ্রহ, হামলা সমন্বয় এবং অর্থ বণ্টনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন। বাহিনীটি চট্টগ্রাম নগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় ছোট সেলে পরিচালিত হতো, যাতে সদস্যরা একে অন্যকে না চিনলেও নেটওয়ার্ক সচল থাকে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পুরোনো সদস্য নিহত, গ্রেপ্তার বা দলত্যাগ করলে নতুনদের এনে ধাপে ধাপে দায়িত্ব বাড়ানো হতো।
পুলিশের দাবি, সাজ্জাদ বাহিনী সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের ধাপে ধাপে অপরাধে জড়াত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।