বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলায় আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোর আধিপত্য বিস্তারের লড়াই আবারও তীব্র হয়ে উঠেছে। গত তিন দিনে দীঘিনালা, রামগড়, মাটিরাঙ্গা ও গুইমারায় সংঘর্ষ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে দুজন নিহত হয়েছে। পৃথক অভিযানে তিনটি একে-৪৭ রাইফেল, একটি পিস্তল ও বিপুল পরিমাণ গুলি উদ্ধার করা হয় এবং ইউপিডিএফের পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। গুইমারার দুর্গম পাইনংপাড়া এলাকায় গোলাগুলিতে আহত অবস্থায় ইউপিডিএফের সংগঠক সুজেন্দ্র চাকমা ওরফে ঝিমিত চাকমাকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, ঝিমিত চাকমার বিরুদ্ধে হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ সাতটি মামলা রয়েছে। ইউপিডিএফ তাকে গুইমারা উপজেলা সংগঠক হিসেবে দাবি করে মুক্তির দাবি জানিয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের অভিযোগ করেছে। নিরাপত্তা বাহিনী জানায়, তার নেতৃত্বে এলাকায় চাঁদাবাজি ও অপহরণসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর পাহাড়ের আঞ্চলিক দলগুলো আধিপত্য ও অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, যা পাহাড়ের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে নতুন সংকটে ফেলেছে।
খাগড়াছড়িতে সংঘর্ষে দুইজন নিহত, পাঁচজন আটক, পাহাড়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।