স্ট্রোকের ঝুঁকি শনাক্তে সরকার দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে স্ক্রিনিং এবং জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুর পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ও ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হাসপাতালের যৌথ আয়োজনে বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের সেমিনারে তিনি এ তথ্য জানান।
ড. হায়দার বলেন, শুধু নতুন হাসপাতাল নির্মাণে রোগীর চাপ কমবে না; রোগ প্রতিরোধ ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করা প্রয়োজন। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র এবং হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিং ওয়ার্কার চালু করা হবে। এসব কর্মী বছরে তিন থেকে চারবার প্রতিটি পরিবারে গিয়ে প্রাপ্তবয়স্কদের রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা করবেন, যাতে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের মতো স্ট্রোকের প্রধান ঝুঁকি শুরুতেই শনাক্ত করা যায়।
দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে জেলা পর্যায়ে কল সেন্টার ও কেন্দ্রীয় অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সের প্রশিক্ষিত প্যারামেডিকরা রোগীর অবস্থা মূল্যায়ন করে উপযুক্ত হাসপাতালে নিতে সহায়তা করবেন। বক্তারা বলেন, মুখ বেঁকে যাওয়া, শরীরের একপাশ দুর্বল হওয়া বা কথা জড়িয়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।
দেশজুড়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে স্ট্রোক স্ক্রিনিং ও জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবার পরিকল্পনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।