সীতাকুণ্ড পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম প্রায় এক যুগ ধরে পৌর ভবনের দাপ্তরিক কক্ষে বসবাসের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য নয়, রাতের বেলায় নাইটগার্ডের মতো পৌর ভবন পাহারা দেওয়ার প্রয়োজনেই তিনি সেখানে থাকেন। তবে সরকারি দাপ্তরিক কক্ষ আবাসিক হিসেবে ব্যবহার এবং দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গত জুন ও জুলাইয়ে পৌরসভার বিদ্যুৎ বিল ৪ লাখ টাকার বেশি হওয়াও আলোচনায় এসেছে। নজরুল ইসলাম বলেন, এই অঙ্কে পৌর ভবনের পাশাপাশি নয়টি ওয়ার্ডের সড়কবাতির বিল অন্তর্ভুক্ত এবং কার্ড মিটার না থাকায় গড় হিসাবে বিল করা হয়েছে। তবে পৌর ভবন ও সড়কবাতির ব্যয়ের পৃথক হিসাব, ব্যক্তিগত বিদ্যুৎ ব্যবহার থাকলে তার অর্থ পরিশোধের উৎস প্রকাশ হয়নি।
সাবেক কাউন্সিলর শামসুল আলম আজাদের ভাষ্য, ২০১৫ সাল থেকে নজরুল ইসলাম প্রায় একটানা সীতাকুণ্ডে কর্মরত। ২১ মে ২০২৪ সালের আদেশে তাঁকে কালীগঞ্জে বদলি করা হয়েছিল, তবে ওই আদেশের পরবর্তী অবস্থা নথি যাচাই ছাড়া নিশ্চিত নয়। নতুন আদেশে তাঁকে নরসিংদীর শিবপুর পৌরসভায় পদায়ন করা হয়েছে; ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যোগ দেওয়ার কথা।
অফিসে বসবাস, বিদ্যুৎ বিল ও বদলি আদেশ নিয়ে সীতাকুণ্ড পৌর নির্বাহীকে প্রশ্ন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।