দুই মার্কিন প্রেসিডেন্টের অধীনে দায়িত্ব পালনকারী সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট এম গেটস দীর্ঘদিন ধরে ব্যয়বহুল ও জটিল অস্ত্র প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছেন। তিনি কম খরচে নতুন প্রজন্মের অস্ত্র তৈরির আহ্বান জানিয়েছিলেন। দুই দশক পরও পরিস্থিতি খুব একটা বদলায়নি। ইরান যুদ্ধে দেখা গেছে, একটি প্যাট্রিয়ট মিসাইল তৈরি করতে ৩৬ মাস সময় ও ৪০ লাখ ডলার খরচ হয়, অথচ যুক্তরাষ্ট্র ১,২০০টিরও বেশি মিসাইল ব্যবহার করেছে, যার কিছু ইরানের স্বল্পমূল্যের শাহেদ ড্রোন প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। এতে গেটসের পুরোনো সমালোচনাই বাস্তব প্রমাণিত হয়েছে এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের ঘাটতি স্পষ্ট হয়েছে।
বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন। তিনি এক লাখ ৫০ হাজার কোটি ডলারের বাজেট দাবি করেছেন এবং ‘৮৫ শতাংশ সমাধান’ করা অস্ত্র তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু অর্থ বাড়িয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। রোনাল্ড রিগান ইনস্টিটিউটের র্যাচেল হফের মতে, পেন্টাগনের সংস্কৃতি ও চুক্তি প্রক্রিয়ায় বাস্তব পরিবর্তন আনতে হবে।
আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের ম্যাকেনজি ইগলিন মনে করেন, পেন্টাগনের ধীর ক্রয়প্রক্রিয়া ও সীমিত উৎপাদনই বড় বাধা। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উৎপাদন তিন থেকে চারগুণ বাড়াতে এবং নতুন প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি কোম্পানি যুক্ত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইরান যুদ্ধ আমেরিকার প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও ক্রয়ব্যবস্থার বড় দুর্বলতা প্রকাশ করেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।