Web Analytics

ভারতের রাজস্থানের আজমের জেলার কিশানগড়ে মার্বেলশিল্পের বিশাল বর্জ্যভাগাড় পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে, যদিও সেখানে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির অভিযোগ রয়েছে। প্রায় ৩০০ একরের এই স্থান স্থানীয়ভাবে ‘স্নো ইয়ার্ড’ নামে পরিচিত। সাদা বর্জ্যের পাহাড় ও নীল কৃত্রিম জলাশয় দেখে পর্যটকেরা কাশ্মীরের সঙ্গে তুলনা করেন। নবদম্পতি, হবু দম্পতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবক এবং চলচ্চিত্রের শুটিং দল সেখানে যান; প্রবেশে কোনো ফি নেই।

কিশানগড়ে প্রায় ১ হাজার ২০০টি মার্বেল ও গ্রানাইট প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ কাজ করেন। প্রতিদিন প্রায় এক হাজার ট্যাংকারে স্লারি এনে সরকারি নির্ধারিত ভাগাড়ে ফেলা হয় এবং সেখানে প্রায় ৫ হাজার ৫০০ টন বর্জ্য জমা হয়। আশপাশের গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, ধুলার কারণে শ্বাসকষ্ট, ত্বকের সমস্যা, বুকে সংক্রমণ ও ফসলের ক্ষতি বাড়ছে। এক চিকিৎসকও এলাকায় শ্বাসকষ্টজনিত রোগী বাড়ার কথা বলেছেন।

এক বিশ্ববিদ্যালয়-নেতৃত্বাধীন গবেষণায় স্থানীয় মাটিতে স্বাভাবিকের কয়েক গুণ বেশি সিসা সিলিকেট পাওয়া গেছে এবং সূক্ষ্ম কণার দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা জানানো হয়েছে। গত বছর জাতীয় পরিবেশ আদালত নিয়মিত নজরদারি, নমুনা পরীক্ষা ও বিধিভঙ্গকারী কারখানাকে জরিমানার নির্দেশ দেয়। বাসিন্দা ও গবেষকেরা ভাগাড় সরানো, স্বাস্থ্যশিবির আয়োজন এবং স্লারি দিয়ে টাইলস তৈরির উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন।

02 Nov 26 1NOJOR.COM

কিশানগড়ের মার্বেল বর্জ্যভাগাড়ে পর্যটকের ভিড়, পাশে দূষণ ও অসুস্থতার অভিযোগ

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।