ইসলামী ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের শত কোটি টাকার উন্নয়নকাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের দৃশ্যমান প্রশাসনিক পদক্ষেপ চেয়েছে। ৫ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীতে মঙ্গলবার বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ এবং পরে পুরানা পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন থেকে সংগঠনটি এ দাবি তোলে। তারা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় হামলার অভিযোগে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দাবি করেছে।
শিবিরের ভাষ্য অনুযায়ী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা আবাসন সংকট ও দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীকে দেওয়াসহ দাবির প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রবেশ করতে চাইলে বাধা ও হামলার ঘটনা ঘটে। সংগঠনটি দাবি করে, জকসুর ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম, জিএস আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানাসহ সাংবাদিক ও অন্তত ৫০ শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের হাসপাতালে গিয়েও হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়, যার মধ্যে সিসিটিভি ও ছবির মাধ্যমে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার, প্রক্টর অফিসের কর্মকর্তাদের জবাবদিহি এবং আহতদের চিকিৎসা ব্যয় বহন অন্তর্ভুক্ত। ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার হল সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে আবাসিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিও জানানো হয়। শিবির বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত গণজমায়েতের ঘোষণা দিয়েছে।
জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীকে দেওয়ার দাবি জানাল ছাত্রশিবির
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।