একজন এভিয়েশন স্ট্র্যাটেজিস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দ্বিতীয় রানওয়েতে আরও বিনিয়োগের বদলে নতুন গ্রিনফিল্ড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিকল্পনা শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন। লেখায় বলা হয়েছে, তৃতীয় টার্মিনাল বড় অর্জন হলেও শুধু টার্মিনালের আকার দিয়ে বিমানবন্দরের সক্ষমতা নির্ধারিত হয় না। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, ২০৩৪ সালে যাত্রীসংখ্যা আড়াই কোটিতে পৌঁছাতে পারে, যা তিন টার্মিনালের সম্মিলিত সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতার সমান।
লেখকের মতে, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাধীনভাবে দুটি রানওয়ে পরিচালনার জন্য যে দূরত্ব দরকার, শাহজালালের অবশিষ্ট জমিতে তা সম্ভব নয়। ফলে নতুন রানওয়েটি মূলত রক্ষণাবেক্ষণ বা জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হবে; বিমান ওঠানামা বা আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে না। আট থেকে দশ বছরের মধ্যে পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছাতে পারে এমন বিমানবন্দরে অতিরিক্ত ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
লেখায় বর্তমান বিমানবন্দর থেকে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন বিমানবন্দরের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শুরুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে শুরু থেকেই দুটি সমান্তরাল রানওয়ে, তৃতীয় রানওয়ের জায়গা, পৃথক টার্মিনাল, কার্গো ভিলেজ, এমআরও সুবিধা, প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং দ্রুত সড়ক-রেল সংযোগের কথা বলা হয়েছে। অর্থায়নে অভিজ্ঞ বিমানবন্দর পরিচালনাকারীদের সঙ্গে সরকার-টু-সরকার অংশীদারত্বের সুপারিশও করা হয়েছে।
দ্বিতীয় রানওয়ের বদলে নতুন বিমানবন্দরের পরিকল্পনা শুরুর আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।