পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানকে ঘিরে নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তির সমন্বিত নীতির প্রয়োজন বলে একটি বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে। ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলে অমীমাংসিত ভূমিবিরোধ, জাতিগত বৈচিত্র্য, সশস্ত্র সংগঠন, চোরাচালান এবং মিয়ানমারের সংঘাতের প্রভাব রয়েছে। বিশ্লেষণটিতে বলা হয়েছে, ১৯৯৭ সালের শান্তিচুক্তি প্রধান সশস্ত্র বিদ্রোহের অবসান ঘটালেও এর পূর্ণ বাস্তবায়ন এখনো হয়নি।
কাপ্তাই বাঁধে বাস্তুচ্যুতি এবং পরে সাংস্কৃতিক স্বীকৃতি, স্বায়ত্তশাসন ও ভূমির অধিকার নিয়ে মতবিরোধকে দীর্ঘস্থায়ী অসন্তোষের উৎস হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। অসম্পূর্ণ বাস্তবায়ন ও রাজনৈতিক শূন্যতার মধ্যে জনসংহতি সমিতির বিভিন্ন অংশ এবং ইউপিডিএফের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী সশস্ত্র কাঠামো গড়ে ওঠার কথা বলা হয়েছে। ২০২৪ সালে ব্যাংক ডাকাতি, অপহরণ, অস্ত্র লুট ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলায় কেএনএফের কথিত সংশ্লিষ্টতার কথাও এতে রয়েছে।
বিশ্লেষণটি গোয়েন্দা তথ্যনির্ভর ও আইনসম্মত নিরাপত্তা অভিযান, স্থায়ী জাতীয় সমন্বয় কাঠামো, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের সময়সীমাবদ্ধ রোডম্যাপ এবং ভূমি কমিশন শক্তিশালী করার সুপারিশ করেছে। এতে অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপ, সীমান্ত সহযোগিতা, স্থানীয় চাহিদাভিত্তিক উন্নয়ন, পরিবেশগত সুরক্ষা ও অভিযোগের জবাবদিহিমূলক তদন্তের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে আইনসম্মত নিরাপত্তা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শান্তি উদ্যোগের আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।