ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গান্ধী জয়ন্তীতে পরিকল্পিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে শুক্রবার পুরো নয়াদিল্লিতে বিধিনিষেধ জারি করেছে দিল্লি পুলিশ। ছাত্র, যুব ও নাগরিক সংগঠনগুলো যন্তর মন্তরে অবস্থান-বিক্ষোভের ডাক দিলেও পুলিশ অনুমতি দেয়নি। ১৬৩ ধারা জারি করে যন্তর মন্তর চত্বরসহ পুরো নয়াদিল্লিতে পাঁচজন বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
যন্তর মন্তরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও র্যাফ সদস্য, পাশাপাশি জলকামান মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, কোনো জমায়েত, স্লোগান, বক্তৃতা বা বিক্ষোভ শুরু হলে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ কনট প্লেস, পটেল চক, তলস্তয় মার্গ ও সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে যন্তর মন্তরের আশপাশের ১১টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে।
মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে সিজেপি ‘জেল ভরো’ আন্দোলন শুরু করার ঘোষণা দিলেও মহারাষ্ট্র পুলিশ অনুমতি দেয়নি। সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকে বলেছেন, মুম্বাইয়ের কর্মসূচি তারা পালন করবেন। পরে কলকাতা, বেঙ্গালুরু ও গোয়াতেও একই কর্মসূচির পরিকল্পনা রয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন প্রধানকে ঘিরে বিক্ষোভের আগে দিল্লিতে জমায়েত নিষেধাজ্ঞা ও ১১ মেট্রো স্টেশন বন্ধ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।