কানাডা থেকে আলবার্টার বিচ্ছিন্নতার প্রশ্নে ভবিষ্যৎ বাধ্যতামূলক গণভোট আয়োজনের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হবে কি না, সে বিষয়ে সোমবার ভোট দিচ্ছেন প্রদেশটির বাসিন্দারা। ‘পাথওয়ে টু ইনডিপেনডেন্স’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও দীর্ঘদিনের কর্মী কোরি মরগান বলেছেন, প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যাত হলেও তাঁর আন্দোলন চলবে। এই ভোটে সমর্থন পেলেই আলবার্টা স্বাধীন রাষ্ট্র হয়ে যাবে না; বরং ভবিষ্যৎ গণভোটের দিকে প্রক্রিয়া শুরু হবে।
জরিপে স্বাধীনতাপন্থীদের জয়ের সম্ভাবনা কম দেখা গেছে; প্রতি পাঁচজনের চারজন আলবার্টাবাসী কানাডার অংশ হিসেবেই থাকতে চান। আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জ্যারেড ওয়েসলি বলেন, অনেক ভোটার স্বাধীনতার সমর্থনে নয়, অটোয়ার প্রতি অসন্তোষ জানাতে কৌশলগতভাবে ভোট দিচ্ছেন। ভিউপয়েন্ট আলবার্টার তথ্য অনুযায়ী, গণভোটের পক্ষে থাকা ভোটারদের দুই-তৃতীয়াংশের উদ্দেশ্য কেন্দ্রীয় সরকারকে বার্তা দেওয়া।
প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সতর্ক করে বলেছেন, কানাডার বিপক্ষে ভোট দীর্ঘ বিভাজন ও অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে, যদিও তিনি আলবার্টাবাসীর হতাশার বাস্তব ভিত্তি স্বীকার করেছেন। গণভোট আয়োজনের পক্ষে থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী ড্যানিয়েল স্মিথ বিচ্ছিন্নতার বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। তিনি অন্য নয়টি প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিতে উৎসাহ দিয়েছেন; এর মধ্যে অস্থায়ী বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার সুযোগ সীমিত করা এবং প্রদেশের বিচারক নিয়োগের ক্ষমতা নিশ্চিত করার বিষয় রয়েছে।
স্বাধীনতার প্রস্তাব হারলেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার আলবার্টার বিচ্ছিন্নতাবাদীদের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।