বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) বন্ধ থাকা সার কারখানার প্লান্ট সংরক্ষণে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে ২৯ টাকা ২৫ পয়সা থেকে কমিয়ে আগের ১৬ টাকা করার দাবি জানিয়েছে। চারটি ইউরিয়া সার কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ না হওয়ায় উৎপাদন বন্ধ থাকলেও যন্ত্রপাতি সুরক্ষায় গ্যাস ব্যবহার অব্যাহত রাখতে হয়েছে। এতে সংস্থাটির ওপর প্রায় ৬১ কোটি টাকার অতিরিক্ত আর্থিক চাপ পড়েছে বলে জানিয়েছে বিসিআইসি।
বিসিআইসি বলেছে, ইউরিয়া উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল প্রাকৃতিক গ্যাস। দেশের গ্যাস ঘাটতির কারণে পেট্রোবাংলা বিভিন্ন সময়ে কারখানাগুলোতে সরবরাহ কমিয়েছে বা বন্ধ করেছে। বছরে ৩৩০ দিন ৭০ শতাংশ লোডে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস দেওয়ার পরিকল্পনার ভিত্তিতে গ্যাসের দাম বাড়ানো হলেও বাস্তবে সেই শর্ত পূরণ হয়নি বলে সংস্থাটির অভিযোগ। স্থায়ী সমাধানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা।
বিসিআইসির হিসাবে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্লান্ট সংরক্ষণে প্রায় ৪ কোটি ৬৬ লাখ ঘনমিটার গ্যাস ব্যবহার হয়েছে। বর্তমান দরে এর মূল্য প্রায় ১৩৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, আর ১৬ টাকা দরে তা হতো প্রায় ৭৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা। চেয়ারম্যান ড. মো. মাহমুদুর রহমান বলেছেন, বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার সংরক্ষণে ব্যবহৃত গ্যাসের মূল্য সমন্বয় করবে বলে তারা আশা করছেন।
গ্যাস সরবরাহ বিঘ্নে প্লান্ট সংরক্ষণ ব্যয় বেড়ে প্রায় ৬১ কোটি টাকার চাপ বিসিআইসির
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।