ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার মধ্যে পানামা খাল নতুন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই জলপথ আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র খালঘিরে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে বাণিজ্য ও নিরাপত্তার হুমকি বলেছে, আর চীন অভিযোগটি প্রত্যাখ্যান করেছে। পানামা খালটির ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্ব পুনর্ব্যক্ত করে এর স্থায়ী নিরপেক্ষতার কথা জানিয়েছে।
বাল্টিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের শেষ নাগাদ দৈনিক গড়ে ৩৮টি জাহাজ খালটি পার হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৮ শতাংশ বেশি এবং সর্বোচ্চ সক্ষমতার কাছাকাছি। ইরান যুদ্ধ শুরুর পরের পাঁচ সপ্তাহে ট্রানজিট ১৬ শতাংশ বেড়েছে। বাড়তি চাহিদায় অপেক্ষার সময় বেড়েছে, বুকিং স্লট নিয়ে প্রতিযোগিতা তীব্র হয়েছে এবং অগ্রাধিকারভিত্তিক পারাপারের খরচও বেড়েছে।
গাতুন হ্রদের পানির স্তর ঐতিহাসিক গড়ের নিচে থাকায় পরিবেশগত চাপও বাড়ছে। পানামা ক্যানাল অথরিটি ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে দৈনিক অনুমোদিত পারাপার ৩৬টি থেকে ৩২টিতে নামাবে। এ বছরের শুরুতে পানামার সুপ্রিম কোর্ট সিকে হাচিসনের বন্দর রেয়াতের আইনি কাঠামোকে অসাংবিধানিক বলার পর চীন-সংশ্লিষ্ট বন্দর কার্যক্রম নিয়ে বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে।
বর্ধিত নৌচলাচল, পানিসংকট ও যুক্তরাষ্ট্র-চীন বিরোধে পানামা খালের ওপর চাপ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।