সার বিতরণে অনিয়ম, অবৈধ মজুত, কৃত্রিম সংকট ও নির্ধারিত দামের বেশি বিক্রি ঠেকাতে মাঠপর্যায়ের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাজ শুরু করেছে সরকার। এ উদ্দেশ্যে ২৫ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয় দুটি কমিটি গঠন করে। কমিটিগুলো সারা দেশে ডিলারদের বরাদ্দ, সার উত্তোলন ও বিতরণের তথ্য সংগ্রহ করছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদারকিও জোরদার করা হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, সার সরবরাহে বাধা সৃষ্টিকারী ডিলারদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং অনিয়মে জড়িতদের লাইসেন্স বাতিলসহ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একজন অতিরিক্ত ডিলার নিয়োগের কথাও জানান তিনি। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ থেকে বেশি অভিযোগ আসছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিভিন্ন জেলার গোয়েন্দা প্রতিবেদন যাচাই করা হবে।
ঝিনাইদহে কৃষকদের অভিযোগ, ২৭ টাকা নির্ধারিত টিএসপি ৫০ থেকে ৫২ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। রাজশাহীর দুর্গাপুরে ৬৭০ বস্তা এবং দিনাজপুরের খানসামায় ১,৫৭৭ বস্তা সার জব্দ হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ১১ লাখ ৯৩ হাজার টন সার মজুত ছিল। সরকার কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
সার মজুতদারি ও অতিরিক্ত দাম ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান জোরদার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।