আশুতোষ ভারশ্নেয়ের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দিল্লির যন্তর মন্তরসহ ভারতের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শেষ পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদি সরকারের কর্মপদ্ধতির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনায় রূপ নেয়। লেখকের মতে, বিক্ষোভ দমনে বলপ্রয়োগের চেষ্টা হলেও পুলিশের পেলেট গান ও পেরেক-বসানো লাঠি শিক্ষার্থীদের থামাতে পারেনি। আন্দোলনকারীদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় সরকার শেষ পর্যন্ত নতিস্বীকার করে বলে নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে।
নিবন্ধে বলা হয়, আন্দোলনকারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিদ্রুপ, উপহাস ও রসবোধ ব্যবহার করে বিজেপির দীর্ঘদিনের অনলাইন আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করেছে। তাদের দেশবিরোধী বলা, বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগ তোলা কিংবা ভারতীয় সংস্কৃতির অবমাননার অভিযোগের মতো প্রচলিত কৌশল কার্যকর হয়নি বলে লেখক মনে করেন। সরকারঘেঁষা গণমাধ্যমের উপস্থাপক ও প্রতিবেদকেরাও শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ এড়াতে পারেননি।
লেখক সতর্ক করেছেন, ভয়ের পরিবেশ চিরতরে কেটে গেছে বলা অবিবেচকের কাজ; পরিস্থিতি অনুকূলে এলে বিজেপি পাল্টা পদক্ষেপ নিতে পারে। তবে আপাতত সমালোচনা ও ভিন্নমত প্রকাশের পরিসর তৈরি হয়েছে বলে তাঁর মত। নিবন্ধে শিক্ষা ইস্যুকে জাতীয় রাজনীতিতে বিরল চালিকাশক্তি হিসেবে তুলে ধরে বলা হয়, আন্দোলনটি সংসদীয় কৌশল এবং উত্তরপ্রদেশের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে।
শিক্ষা সংস্কারকেন্দ্রিক ছাত্র আন্দোলন বিজেপির বয়ান নিয়ন্ত্রণে ফাটল ধরিয়েছে বলে বিশ্লেষণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।