ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পুরো পর্ষদ বাতিলের পর ব্যাংকের কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। গ্রাহকদের উদ্বেগ ও আতঙ্ক কমে যাওয়ায় নগদ অর্থ উত্তোলনের চাপ হ্রাস পেয়েছে এবং মেয়াদি আমানত হিসাব পুনরায় চালু করতে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। অচল থাকা এটিএম বুথ ও অনলাইন ব্যাংকিং সেবাও পুনরায় সচল হয়েছে। মঙ্গলবার ব্যাংকের তথ্যমতে, জমা উত্তোলনের তুলনায় ৯৬৪ কোটি টাকা বেশি হলেও ইলেকট্রনিক লেনদেনের কারণে নিট অবস্থান প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা ঋণাত্মক ছিল।
ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, আটকে থাকা ইএফটি ও আরটিজিএস নিষ্পত্তি চলায় কিছুটা চাপ থাকলেও সামগ্রিক পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। গত কয়েক দিনে ৫০২ জন গ্রাহক মেয়াদি হিসাব পুনরায় চালু করেছেন, এতে নতুন করে ৪৫ কোটি টাকা জমা পড়েছে। ব্যাংক ঘোষণা দিয়েছে, ১ থেকে ১৫ জুনের মধ্যে আগাম আমানত ভাঙা গ্রাহকরা সাত কর্মদিবসের মধ্যে আগের সুবিধা রেখে হিসাব সচল করতে পারবেন।
ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, এটিএম ও অনলাইন সেবা সচল রয়েছে এবং পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও এক সপ্তাহ লাগতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেনের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী পর্ষদ নতুন পাঁচ সদস্যের বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া চালাচ্ছে।
পর্ষদ বাতিলের পর ইসলামী ব্যাংক স্থিতিশীল, আমানত বাড়ছে ও সেবা সচল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।