২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে জানান, শিক্ষা খাতের ৪৩টি ক্ষেত্রে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতিটি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর জন্য ‘এডু-আইডি’ নামে একটি অনন্য ডিজিটাল পরিচয় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ধীরে ধীরে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার শিক্ষাকে শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করে একটি গুণগত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। চলতি অর্থবছরে ২ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস দেওয়া হবে এবং সব উপজেলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং দেড় হাজার প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই সংযোগ দেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল আগামী ছয় মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, পাইথন প্রোগ্রামিং ও এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবে। নারী শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে ‘এডু-আইডি’ চালু ও শিক্ষা খাতে ডিজিটাল ও এআই প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।