গ্রিনল্যান্ড নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগ্রাসী অবস্থানের ফলে আর্কটিক নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ার মধ্যে শনিবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সদস্যপদ আলোচনা পুনরায় শুরু করা হবে কি না, সে বিষয়ে গণভোট করছে আইসল্যান্ড। প্রায় চার লাখ মানুষের দেশটির এই ভোট ইইউতে তাৎক্ষণিক যোগদান নিয়ে নয়, বরং আলোচনা ফের শুরুর প্রশ্নে। গ্যালাপের জরিপে সিদ্ধান্ত জানানো ভোটারদের ৫১ দশমিক ৫ শতাংশ আলোচনার পক্ষে এবং ৪৮ দশমিক ৫ শতাংশ বিপক্ষে ছিলেন।
বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর ২০০৯ সালে আইসল্যান্ড ইইউ সদস্যপদের আবেদন করেছিল। তবে সার্বভৌমত্ব এবং মাছ ধরার জলসীমার নিয়ন্ত্রণ কমে যাওয়ার আশঙ্কায় পরবর্তী মধ্য-ডান সরকার আলোচনা স্থগিত করে। প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্তুন ফ্রস্তাদোতির বলছেন, আলোচনায় ভোট দেওয়া মানেই সদস্যপদে চূড়ান্ত সম্মতি নয়; আগে ইইউ কী শর্ত দিতে পারে তা জানা দরকার। তাঁর মতে, ইউরোজোনে যোগ দিলে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
ইনডিপেনডেন্স পার্টির নেতা গুদরুন হাফস্টেইন্সদোতিরসহ বিরোধীরা প্রাকৃতিক সম্পদ ও মাছ ধরার ওপর জাতীয় নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা করছেন। আইসল্যান্ডের নিজস্ব সেনাবাহিনী বা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নেই, তবে দেশটি ন্যাটো, ইউরোপীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল ও শেনজেনের সদস্য। ‘হ্যাঁ’ ভোট এলে সদস্যপদ আলোচনা শুরু হবে; পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হিসাবে তা প্রায় ১৮ মাস লাগতে পারে। পরে আনুষ্ঠানিক সদস্যপদ নিয়ে আরেকটি জাতীয় গণভোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আর্কটিক নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের বিতর্কে ইইউ আলোচনা শুরুর প্রশ্নে আইসল্যান্ডের ভোট
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।